টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না রাজউকে, এবার প্রবেশেও আপত্তি - বিগফ্যক্ট, কোটা

টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না রাজউকে, এবার প্রবেশেও আপত্তি - বিগফ্যক্ট, কোটা
সিটিজেন-ডেস্ক

‘রাজউকে কি কেউ সখে এসে ঘুরে, এখানে যাদের কাজ তারাই আসেন। এ সংস্থায় টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। এখন আবার নতুনভাবে ভোগান্তি তৈরি করেছে। রাজউকে প্রবেশে নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হচ্ছে। আমাদের তারা আর কত ভোগাবে তা বুঝে আসে না। এ সবই করা হয় নিজেদের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্য।’ রাজউকের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে এসব অভিযোগ করেছেন হাসিনুর রহমান নামের এক সেবাপ্রত্যাশী। সংস্থাটির প্রধান ফটকের সামনে হাসিনুর রহমানের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। ওই দিন ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন।
হাসিনুর রহমানের অভিযোগগুলোর বিষয়ে নানাভাবে খোঁজ নেন এই প্রতিবেদক। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে রাজউকের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার একই চিত্র পাওয়া যায়।
- টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়
- ভেঙে পড়েছে সেবা আর অন্যান্য কার্যক্রম
- প্রধান প্রকৌশলী ড্রেনের জায়গায় নিজের প্লট বাড়িয়েছেন
- দুদক আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশের জন্য করা হয়েছে নতুন নিয়ম। ভবনে প্রবেশের সময় এন্ট্রি পাসের জটিলতায় সেবা নিতে আসা মানুষদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। প্রয়োজনীয় কাজ করতে এসে অনেকেই পড়ছেন অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মুখে। এতে সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজউক ভবনে প্রবেশ করার সময় আনসার ও দায়িত্বরত কর্মচারীরা সেবাগ্রহীদের বাধা দিচ্ছেন। এন্ট্রি করার জন্য ভবনের একটি কক্ষের মধ্যে সেবাপ্রত্যাশীরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। এ সময় তাদের নাম, কেন এসেছেন, কার কাছে যাবেন— এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। অনেক সেবাপ্রত্যাশী ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে চেয়ারে বসে আছেন। তাদের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে বিরক্তির ছাপ।
টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল, বাড্ডা ছাড়াও পূর্বাচল নতুন শহর আর ঝিলমিলের মতো বড় এলাকার জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে রাজউকে আসতে হয়। জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে নিতে চাহিদামতো অর্থ দিতে হয়। এ ছাড়া যেকোনো স্থাপনা করতে গেলে সেখানে নকশা অনুমোদন কমিটির সবাইকে টাকা দিতে হয়।

‘রাজউকে কি কেউ সখে এসে ঘুরে, এখানে যাদের কাজ তারাই আসেন। এ সংস্থায় টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। এখন আবার নতুনভাবে ভোগান্তি তৈরি করেছে। রাজউকে প্রবেশে নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হচ্ছে। আমাদের তারা আর কত ভোগাবে তা বুঝে আসে না। এ সবই করা হয় নিজেদের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্য।’ রাজউকের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে এসব অভিযোগ করেছেন হাসিনুর রহমান নামের এক সেবাপ্রত্যাশী। সংস্থাটির প্রধান ফটকের সামনে হাসিনুর রহমানের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। ওই দিন ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন।
হাসিনুর রহমানের অভিযোগগুলোর বিষয়ে নানাভাবে খোঁজ নেন এই প্রতিবেদক। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে রাজউকের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার একই চিত্র পাওয়া যায়।
- টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়
- ভেঙে পড়েছে সেবা আর অন্যান্য কার্যক্রম
- প্রধান প্রকৌশলী ড্রেনের জায়গায় নিজের প্লট বাড়িয়েছেন
- দুদক আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশের জন্য করা হয়েছে নতুন নিয়ম। ভবনে প্রবেশের সময় এন্ট্রি পাসের জটিলতায় সেবা নিতে আসা মানুষদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। প্রয়োজনীয় কাজ করতে এসে অনেকেই পড়ছেন অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মুখে। এতে সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজউক ভবনে প্রবেশ করার সময় আনসার ও দায়িত্বরত কর্মচারীরা সেবাগ্রহীদের বাধা দিচ্ছেন। এন্ট্রি করার জন্য ভবনের একটি কক্ষের মধ্যে সেবাপ্রত্যাশীরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। এ সময় তাদের নাম, কেন এসেছেন, কার কাছে যাবেন— এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। অনেক সেবাপ্রত্যাশী ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে চেয়ারে বসে আছেন। তাদের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে বিরক্তির ছাপ।
টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল, বাড্ডা ছাড়াও পূর্বাচল নতুন শহর আর ঝিলমিলের মতো বড় এলাকার জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে রাজউকে আসতে হয়। জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে নিতে চাহিদামতো অর্থ দিতে হয়। এ ছাড়া যেকোনো স্থাপনা করতে গেলে সেখানে নকশা অনুমোদন কমিটির সবাইকে টাকা দিতে হয়।

টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না রাজউকে, এবার প্রবেশেও আপত্তি - বিগফ্যক্ট, কোটা
সিটিজেন-ডেস্ক

‘রাজউকে কি কেউ সখে এসে ঘুরে, এখানে যাদের কাজ তারাই আসেন। এ সংস্থায় টাকা ছাড়া ফাইল নড়ে না। এখন আবার নতুনভাবে ভোগান্তি তৈরি করেছে। রাজউকে প্রবেশে নানা প্রশ্নবানে জর্জরিত করা হচ্ছে। আমাদের তারা আর কত ভোগাবে তা বুঝে আসে না। এ সবই করা হয় নিজেদের অনিয়ম ও দুর্নীতি ঢেকে রাখার জন্য।’ রাজউকের অব্যবস্থাপনা, দুর্নীতি ও অনিয়ম নিয়ে এসব অভিযোগ করেছেন হাসিনুর রহমান নামের এক সেবাপ্রত্যাশী। সংস্থাটির প্রধান ফটকের সামনে হাসিনুর রহমানের সঙ্গে সম্প্রতি কথা হয়। ওই দিন ভেতরে প্রবেশ করতে না দেওয়ায় তিনি ক্ষোভও প্রকাশ করেন।
হাসিনুর রহমানের অভিযোগগুলোর বিষয়ে নানাভাবে খোঁজ নেন এই প্রতিবেদক। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের সঙ্গে কথা বলে রাজউকের অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার একই চিত্র পাওয়া যায়।
- টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়
- ভেঙে পড়েছে সেবা আর অন্যান্য কার্যক্রম
- প্রধান প্রকৌশলী ড্রেনের জায়গায় নিজের প্লট বাড়িয়েছেন
- দুদক আতঙ্কে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা
কয়েকজন সেবাপ্রত্যাশী বলেন, রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (রাজউক) প্রধান কার্যালয়ে প্রবেশের জন্য করা হয়েছে নতুন নিয়ম। ভবনে প্রবেশের সময় এন্ট্রি পাসের জটিলতায় সেবা নিতে আসা মানুষদের পড়তে হচ্ছে ভোগান্তিতে। প্রয়োজনীয় কাজ করতে এসে অনেকেই পড়ছেন অনিশ্চয়তা ও হয়রানির মুখে। এতে সেবাপ্রত্যাশীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ক্ষোভ ও অসন্তোষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, রাজউক ভবনে প্রবেশ করার সময় আনসার ও দায়িত্বরত কর্মচারীরা সেবাগ্রহীদের বাধা দিচ্ছেন। এন্ট্রি করার জন্য ভবনের একটি কক্ষের মধ্যে সেবাপ্রত্যাশীরা লাইন ধরে দাঁড়িয়ে আছেন। এ সময় তাদের নাম, কেন এসেছেন, কার কাছে যাবেন— এসব প্রশ্ন জিজ্ঞেস করা হচ্ছে। অনেক সেবাপ্রত্যাশী ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে চেয়ারে বসে আছেন। তাদের চোখেমুখেও ফুটে উঠেছে বিরক্তির ছাপ।
টেবিলে টেবিলে টাকা দিতে হয়
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, মতিঝিল, বাড্ডা ছাড়াও পূর্বাচল নতুন শহর আর ঝিলমিলের মতো বড় এলাকার জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে রাজউকে আসতে হয়। জমি সংক্রান্ত যেকোনো কাজে ফাইল এক টেবিল থেকে অন্য টেবিলে নিতে চাহিদামতো অর্থ দিতে হয়। এ ছাড়া যেকোনো স্থাপনা করতে গেলে সেখানে নকশা অনুমোদন কমিটির সবাইকে টাকা দিতে হয়।




