প্রকাশ হয়েছে এনসিপির নির্বাচনী ও গণভোটের থিম সং
প্রকাশ হয়েছে এনসিপির নির্বাচনী ও গণভোটের থিম সং
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ও গণভোটের থিম সং প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)।


ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ বলেছেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট দিলে নতুন বাংলাদেশ গড়ার দরজা খুলে যাবে– এটি একটি বিভ্রান্তিকর এবং অসৎ দাবি। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে সরকারের প্রচারের মধ্যে এ ভোটের প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্ন তুলে এক ফেসবুক পোস্টে নিজের মতামত ও অবস্থান তুলে ধরেছেন দেশের সবচেয়ে বড় এনজিওর এই নির্

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, আগামী ১২ ফেব্রুয়ারির গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।

গণভোটবিষয়ক প্রচার কার্যক্রমের মুখ্য সমন্বয়ক বলেন, ‘জুলাই সনদ বাস্তবায়িত হলে বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকারের কারো কোনো ব্যক্তিগত লাভ হবে না। পরবর্তী যে সরকার দায়িত্ব নেবে তারাই জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করবে ।’

রাজপথ থেকে আমরা থিম সং লঞ্চ করতে চেয়েছি বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া। শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় রাজধানীর শাহবাগে (শহীদ হাদি চত্বর) জাতীয় জাদুঘরের সামনে এনসিপি'র নির্বাচনী ও গণভোটের থিম সং প্রকাশ করার সময় তিনি এ কথা বলেন।
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী ও গণভোটের থিম সং প্রকাশ করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি)।

৩৬ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সরকার জুলাই সনদ বাস্তবায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। এজন্য আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি গণভোট। গণভোট ‘হ্যাঁ’ জয়ের মাধ্যমে জুলাই সনদ কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান।

স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোট জরুরি। কারণ জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়েই বাংলাদেশ ফ্যাসিবাদ মুক্ত হয়েছে।

নির্বাচনী মাঠে থাকা রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি গণভোটে ‘হ্যাঁ’র পক্ষে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন ঢাকা-৮ আসনের প্রার্থী ও এনসিপির মুখ্য সমন্বয়ক নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তিনি বলেন, শহীদদের দিকে তাকিয়ে হলেও আপনারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’ এর পক্ষে কাজ করুন।

‘আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে স্থানীয় পর্যায়ে বডি ক্যামেরা পৌঁছে যাবে। পুলিশ ও অন্যান্য বাহিনীর সদস্যরা প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ড্রোন ব্যবহার করবেন।’

নির্বাচন কমিশনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ঢাকা-১২ আসনে সর্বাধিক ১৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। এর পরেই রয়েছে নারায়ণগঞ্জ-৪ আসন, যেখানে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর সংখ্যা ১৩ জন।

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন ও তা সমুন্নত রাখতে আসন্ন গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়া অত্যন্ত জরুরি বলে মন্তব্য করেছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিল। সংগঠনটির মতে, এই সিদ্ধান্ত দেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে।

প্রত্যাশার রাষ্ট্র গড়ে তোলার জন্য গণভোটে অংশ নিয়ে ‘হ্যাঁ’ তে সিল দেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় জাতির উদ্দেশে তিনি এই বার্তা দেন।

জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গণভোট আয়োজন করা হয়েছে। যারা জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছিল, তারাই এখন গণভোট নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে।

নির্বাচনকে ব্যাহত করার জন্যই পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি দোষীদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

গণভোটে ‘হ্যাঁ’র প্রচারণায় সরকারি কর্মচারীদের সামনে কোনো আইনগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী (উপদেষ্টা পদমর্যাদা) অধ্যাপক আলী রীয়াজ।

শিল্প এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আদিলুর রহমান খান বলেছেন, বাংলাদেশকে বদলে দেওয়ার জন্য গণভোট হতে যাচ্ছে। জনগণ ‘হ্যাঁ’ ভোট, জুলাই সনদ ও নতুন বাংলাদেশের পক্ষে।

নির্বাচনের দিন গোলাপী রঙের ব্যালটে টিক চিহ্নের ওপর সিল দিয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ শাসনব্যবস্থা ও সুশাসিত বাংলাদেশের পথে এগিয়ে যেতে হবে।

জুলাই বিপ্লবের মূল দাবি ছিল বিদ্যমান রাষ্ট্রীয় কাঠামোর সংস্কার। সেই সংস্কার বাস্তবায়নের ঐতিহাসিক পথ হিসেবেই এই গণভোট অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

এ সময় ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন ইলেকশন অবজারভেশনের সদস্যরা মিশনের উদ্দেশ্য মুখ্য সমন্বয়কে অবহিত করেন।

শাসন ব্যবস্থার পরিবর্তন করতে হলে গণভোটে হ্যাঁ বলতে হবে। তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা আজ মঙ্গলবার ১৩ জানুয়ারি রাজশাহীতে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘গণভোট ও নির্বাচন ২০২৬ প্রচারণা’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্য সচিব এ কথা বলেন।

উচ্চকক্ষ প্রতিষ্ঠিত হলে একদিকে যেমন জনগণ ও সকল দলের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত হবে, সেই সাথে সংবিধান সংশোধনের ক্ষেত্রেও সকলের মতামত প্রতিফলিত হবে।

প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেছেন, এবারের গণভোটে ‘হ্যাঁ’ জয়ী হলে দেশে আর কখনও ‘রাতের ভোট’ হবে না। গত ১৬ বছর নির্বাচনের নামে যেসব প্রতারণা করা হয়েছিল, সেগুলোর পথ চিরতরে বন্ধ হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, গণভোটের পক্ষে বা বিপক্ষে প্রচারণা চালানো বিএনপির দায়িত্ব নয়। তার ভাষায়, ‘গণভোটে ভোট দেওয়া জনগণের দায়িত্ব। তারা হ্যাঁ বা না– যেটা ঠিক করবেন, সেটাই হবে।’
