মার্কিন দূতাবাস নিজস্ব উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে: ইসি সচিব

মার্কিন দূতাবাস নিজস্ব উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে: ইসি সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। তবে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের দল ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকাভুক্ত প্রথাগত ‘ফরমাল অবজার্ভার’ হিসেবে নয়, বরং নিজস্ব উদ্যোগে ভোটের অবস্থা দেখতে যাবেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন, দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ।
সচিব জানান, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা– এই চার অঞ্চলে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা জানিয়েছেন, তারা স্বতন্ত্রভাবে যাবেন। আমরা বলেছি এতে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। তারা কোথায় কোথায় যাবেন, সেই তালিকা আমাদের দেবেন বলেছেন। তালিকা পেলে আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব। ভোটের দিন যানচলাচল সীমিত থাকার বিষয়ে প্রতিনিধি দল জানতে চাইলে আমরা বলেছি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। কত সময়ের জন্য এবং কোন কোন যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে, তা মন্ত্রণালয়ই নির্ধারণ করবে।
বৈঠকে ব্যালট পেপারের আকার-আকৃতি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে মার্কিন প্রতিনিধিদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। সচিব বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি তারা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে এটি বেশ জটিল ও কষ্টসাধ্য কাজ। তবে তারা পুরো ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের কোনো সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ছিল কি না– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তারা কোনো অভিযোগ করেননি। বরং আমাদের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আমরা কীভাবে অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করছি, তা জানতে চেয়েছেন। আমরা তাদের জানিয়েছি যে, আমাদের কমপ্লেন ম্যানেজমেন্ট সেল, ইনকোয়ারি কমিটি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আজকেও একটি জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে, যা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠিয়েছি।
ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আখতার আহমেদ জানান, সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তা কর্মী বিভিন্ন স্তরে মোতায়েন থাকবে। মার্কিন প্রতিনিধিদের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
আগামী ৩১ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নারী সমাবেশের ডাক এবং তাদের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানান ইসি সচিব।

আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। তবে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের দল ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকাভুক্ত প্রথাগত ‘ফরমাল অবজার্ভার’ হিসেবে নয়, বরং নিজস্ব উদ্যোগে ভোটের অবস্থা দেখতে যাবেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন, দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ।
সচিব জানান, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা– এই চার অঞ্চলে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা জানিয়েছেন, তারা স্বতন্ত্রভাবে যাবেন। আমরা বলেছি এতে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। তারা কোথায় কোথায় যাবেন, সেই তালিকা আমাদের দেবেন বলেছেন। তালিকা পেলে আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব। ভোটের দিন যানচলাচল সীমিত থাকার বিষয়ে প্রতিনিধি দল জানতে চাইলে আমরা বলেছি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। কত সময়ের জন্য এবং কোন কোন যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে, তা মন্ত্রণালয়ই নির্ধারণ করবে।
বৈঠকে ব্যালট পেপারের আকার-আকৃতি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে মার্কিন প্রতিনিধিদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। সচিব বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি তারা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে এটি বেশ জটিল ও কষ্টসাধ্য কাজ। তবে তারা পুরো ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের কোনো সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ছিল কি না– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তারা কোনো অভিযোগ করেননি। বরং আমাদের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আমরা কীভাবে অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করছি, তা জানতে চেয়েছেন। আমরা তাদের জানিয়েছি যে, আমাদের কমপ্লেন ম্যানেজমেন্ট সেল, ইনকোয়ারি কমিটি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আজকেও একটি জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে, যা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠিয়েছি।
ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আখতার আহমেদ জানান, সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তা কর্মী বিভিন্ন স্তরে মোতায়েন থাকবে। মার্কিন প্রতিনিধিদের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
আগামী ৩১ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নারী সমাবেশের ডাক এবং তাদের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানান ইসি সচিব।

মার্কিন দূতাবাস নিজস্ব উদ্যোগে নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবে: ইসি সচিব
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন নির্বাচনে যুক্তরাষ্ট্র কোনো পর্যবেক্ষক দল পাঠাবে না। তবে ঢাকায় মার্কিন দূতাবাসের কর্মকর্তাদের দল ভোট পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা নির্বাচন কমিশনের (ইসি) তালিকাভুক্ত প্রথাগত ‘ফরমাল অবজার্ভার’ হিসেবে নয়, বরং নিজস্ব উদ্যোগে ভোটের অবস্থা দেখতে যাবেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনের (ইসি) সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ।
আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে বেলা পৌনে ১২টার দিকে এ বৈঠক শুরু হয়। মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধি দলে ছিলেন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট ক্রিস্টেনসেন, দূতাবাসের রাজনৈতিক কর্মকর্তা ডেভিড মু ও ফিরোজ আহমেদ।
সচিব জানান, মার্কিন দূতাবাসের প্রতিনিধিরা ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম ও খুলনা– এই চার অঞ্চলে ভোটের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করবেন। তারা জানিয়েছেন, তারা স্বতন্ত্রভাবে যাবেন। আমরা বলেছি এতে আমাদের কোনো অসুবিধা নেই। তারা কোথায় কোথায় যাবেন, সেই তালিকা আমাদের দেবেন বলেছেন। তালিকা পেলে আমরা প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করব। ভোটের দিন যানচলাচল সীমিত থাকার বিষয়ে প্রতিনিধি দল জানতে চাইলে আমরা বলেছি, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবে। কত সময়ের জন্য এবং কোন কোন যানবাহনের ওপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে, তা মন্ত্রণালয়ই নির্ধারণ করবে।
বৈঠকে ব্যালট পেপারের আকার-আকৃতি এবং মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ সম্পর্কে মার্কিন প্রতিনিধিদের ধারণা দেওয়া হয়েছে। সচিব বলেন, পুরো প্রক্রিয়াটি তারা পর্যবেক্ষণ করেছেন এবং মন্তব্য করেছেন যে এটি বেশ জটিল ও কষ্টসাধ্য কাজ। তবে তারা পুরো ব্যবস্থাপনা দেখে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
আচরণবিধি লঙ্ঘন নিয়ে মার্কিন প্রতিনিধিদের কোনো সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ ছিল কি না– এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, তারা কোনো অভিযোগ করেননি। বরং আমাদের ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম বা আমরা কীভাবে অভিযোগগুলো নিষ্পত্তি করছি, তা জানতে চেয়েছেন। আমরা তাদের জানিয়েছি যে, আমাদের কমপ্লেন ম্যানেজমেন্ট সেল, ইনকোয়ারি কমিটি এবং জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেটরা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আজকেও একটি জেলা থেকে অভিযোগ এসেছে, যা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য আমরা রিটার্নিং অফিসারের কাছে পাঠিয়েছি।
ভোটের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে আখতার আহমেদ জানান, সারাদেশে প্রায় সাড়ে ৯ লাখ নিরাপত্তা কর্মী বিভিন্ন স্তরে মোতায়েন থাকবে। মার্কিন প্রতিনিধিদের এই বিশাল কর্মযজ্ঞ সম্পর্কে অবহিত করা হয়েছে।
আগামী ৩১ জানুয়ারি জামায়াতে ইসলামীর নারী সমাবেশের ডাক এবং তাদের কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগ সম্পর্কে কিছু জানেন না বলে জানান ইসি সচিব।




