ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি

ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
সিলেট-সংবাবদাতা

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। তবে সেবা কার্যক্রম সচল রাখতে মিড লেভেলের চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ওই হামলার ঘটনায় এক নারী চিকিসৎকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন– সুনামগঞ্জের ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) এবং ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।
হামলার ঘটনা তদন্তে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির।
জান গেছে, শুক্রবার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৪ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে নারী চিকিৎসকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
কর্মবিরতি শুরুর পর শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন হাসপাতালের পরিচালকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা শেষে কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশের জন্য আমরা বেশ কিছু দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছি। দাবিগুলো সমাধান হলে কাজে যোগ দেবো।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার পর থেকে হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছেন। আশা করছি দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো যাবে।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মাইনুল জাকির বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হামলার ঘটনার পরপর নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। তবে সেবা কার্যক্রম সচল রাখতে মিড লেভেলের চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ওই হামলার ঘটনায় এক নারী চিকিসৎকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন– সুনামগঞ্জের ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) এবং ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।
হামলার ঘটনা তদন্তে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির।
জান গেছে, শুক্রবার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৪ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে নারী চিকিৎসকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
কর্মবিরতি শুরুর পর শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন হাসপাতালের পরিচালকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা শেষে কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশের জন্য আমরা বেশ কিছু দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছি। দাবিগুলো সমাধান হলে কাজে যোগ দেবো।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার পর থেকে হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছেন। আশা করছি দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো যাবে।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মাইনুল জাকির বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হামলার ঘটনার পরপর নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

ওসমানী হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কর্মবিরতি
সিলেট-সংবাবদাতা

সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ইন্টার্ন চিকিৎসকের ওপর হামলার ঘটনায় অনির্দিষ্টকালের জন্য কর্মবিরতি পালন করছেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা। তবে সেবা কার্যক্রম সচল রাখতে মিড লেভেলের চিকিৎসকসহ সংশ্লিষ্টরা দায়িত্ব পালন করছেন।
শুক্রবার (১৬ জানুয়ারি) রাতে ওই হামলার ঘটনায় এক নারী চিকিসৎকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। তারা হলেন– সুনামগঞ্জের ছাতক থানার খৈতর গ্রামের সুরুজ আলীর ছেলে শিমুল আহমদ (৩৫), একই গ্রামের শিমুল আহমদের স্ত্রী নাজিরা সিদ্দিকা (৩২) এবং ছাতক থানাধীন দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা জাবেদ মিয়া (৩০)।
হামলার ঘটনা তদন্তে শনিবার (১৭ জানুয়ারি) দুপুরে পাঁচ সদস্যের একটি কমিটি গঠন করার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির।
জান গেছে, শুক্রবার রাতে হাসপাতালের চতুর্থ তলার ৪ নম্বর সার্জারি ওয়ার্ডে রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে ইন্টার্ন চিকিৎসকদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। এতে নারী চিকিৎসকসহ অন্তত পাঁচজন আহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে নেয়।
কর্মবিরতি শুরুর পর শনিবার দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত ইন্টার্ন চিকিৎসকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন হাসপাতালের পরিচালকসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী আলোচনা শেষে কর্মবিরতি অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেন ইন্টার্ন চিকিৎসকেরা।
ইন্টার্ন চিকিৎসক মিজানুর রহমান বলেন, নিরাপদ কর্মপরিবেশের জন্য আমরা বেশ কিছু দাবি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে তুলে ধরেছি। দাবিগুলো সমাধান হলে কাজে যোগ দেবো।
হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল উমর রাশেদ মুনির বলেন, হাসপাতালের চিকিৎসক ও কর্মীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। ঘটনার পর থেকে হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তদন্ত কমিটির সদস্যরা ঘটনার সব দিক খতিয়ে দেখছেন। আশা করছি দ্রুত একটি স্থায়ী সমাধানে পৌঁছানো যাবে।
সিলেট কোতোয়ালি থানার ওসি মাইনুল জাকির বলেন, বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে। অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে হাসপাতালে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। হামলার ঘটনার পরপর নারীসহ তিনজনকে আটক করা হয়। অভিযোগ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।



